যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবারও বন্ধ হয়ে গেছে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ মালিকানায় নির্মিত বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহে।
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র
কয়লা সংকটে বন্ধের ১৬ দিন পর আবার চালু হয়েছে রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। সোমবার (১৪ আগস্ট) বিকেল ৩টায় এ কেন্দ্রটিতে ৪শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে সেই বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে।
বাগেরহাটের রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য কয়লা নিয়ে মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে চীনা পতাকাবাহী জাহাজ এম ভি জে হ্যায়।
কয়লা সংকটে ২৩ দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় শুরু হয়েছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে উৎপাদন শুরু হয়। ফলে ২৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু করেছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি।
শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা কমে যায় প্রায় অর্ধেক। কিন্তু অল্প চাহিদার বিদ্যুৎও উৎপাদন করতে হিমশিম খাচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
বাংলাদেশে পরিবেশ ইস্যুতে বহুল আলোচিত-সমালোচিত রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করতে পারে বলে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা আভাস দিয়েছেন।
বাংলাদেশ-ভারত বিদ্যুৎ খাতে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার অংশ হিসেবে মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টের প্রথম ইউনিটটি আগামী অক্টোবরের শুরুতে বাণিজ্যিকভাবে চালু হবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।১৩২৯ (২x৬৬০) মেগাওয়াট কয়লা চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-১ সফলভাবে ১৫ আগস্ট জাতীয় গ্রিডের সাথে সমন্বয় করা হয়।